টানা এক মাস ধরে চলা ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শেষ দিনে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মানুষের ঢল।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার হওয়ায় সকাল থেকেই শুরু হয় মেলায় ক্রেতাদের আনাগোনা। দুপুরের পর মেলা প্রাঙ্গণে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের দেখা যায় তীব্র ভিড়।
বিশেষ করে গৃহস্থালির নানা পণ্য, খাবার, ইলেকট্রনিকস, ক্রোকারিজসহ সব পণ্যে নানা অফার থাকায় সবাই কিছু না কিছু কিনে খুশি মনে বাড়ি ফিরছেন। ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফারে ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা গেল সবচেয়ে বেশি।
মেলার শেষ দিনে বিভিন্ন পণ্যে ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে কোনো কোনো স্টল। সেসব পণ্যও বিক্রি হচ্ছে দেদার।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবারের মেলার যৌথ আয়োজক। এবারের মেলার বর্ষপণ্য ফার্নিচার।
দেশে পণ্য প্রদর্শনীর সবচেয়ে বড় এ মেলায় এবার ৩৬২টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫১টিই দেশীয় প্রতিষ্ঠানের স্টল-প্যাভিলিয়ন। আর বাকি ১১টি স্টল সাতটি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের।
শুক্রবার ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ঢাকা বাণিজ্য মেলাকে ‘আন্তর্জাতিক’ বলা হলেও বাইরের ‘তেমন কেউ’ এতে অংশগ্রহণ করে না। যদিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বলা হচ্ছে, তবে এখানে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী তেমন কেউ আসেন না। যারা আসেন তারা মনোহরি পণ্য নিয়ে আসেন।
বশিরউদ্দীন বলেন, “আসলে মাসব্যপী একটি মেলায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আসা খুব একটা সহজ নয়। দেশে যেসব আন্তর্জাতিক মেলা হচ্ছে, সেগুলো তিন অথবা চার দিনের। সেগুলোয় তারা অংশগ্রহণ করেন।“
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান হয় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে।
Editor PI News