বাংলাদেশের এক পিতা তার ছেলের সেমিস্টার ফি হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, অনেক ছাত্র-ছাত্রী বিদেশে পড়তে যায় এবং এক কেসে ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর ঘটনা দেখা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে ব্যাক্তির নাম প্রকাশ করেননি শফিকুল।
শফিকুল আলম জানান, টিউশন ফি হিসেবে এই বিশাল পরিমাণ টাকা পাঠানো হয়েছে, যা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে হয়েছে। তিনি আরও জানান, আগে জানতাম ওভার ইনভয়েসিং বা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার হয়, কিন্তু এখন কিছু জায়গায় লুপ হোল ব্যবহার করে এই বিপুল পরিমাণ টাকা পাচার করা হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেছেন, টাকা ফেরত আনার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে পাচার করা টাকা কীভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে একটি বিশেষ আইন করা হবে।
দেশের জনগনের টাকা ফেরত আনতে ইতিমধ্যে সরকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ২০০টি ল ফার্মের সাথে কথা বলেছে সরকার। এর মধ্যে ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে যাচাই বাছাই করে কাজ দেয়া হবে।
Editor PI News