আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউব ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে রাজধানী যাত্রাবাড়ি থানায় দায়ের করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন (সিএমএম) আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে বেলা ২.২৫ মিনিটে তাকে আদালতে হাজির করে কোর্টের হাজতখানায় রাখা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান তৌহিদ আফ্রিদির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামি পক্ষ থেকে রিমান্ড আবেদন নাকচ চাওয়া হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তৌহিদ আফ্রিদির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বোরবার রাতে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল বরিশাল শহরের বাংলাবাজারে তার মামার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরপর রাতেই আফ্রিদিকে ঢাকায় আনা হয়।
তৌহিদ আফ্রিদি বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাই টিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে। একই মামলায় রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে ১৭ আগস্ট সাথীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া আসাদুল হক বাবু (২৪) আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে মৃত্যুবরন করেন। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বাবুর পিতা জয়নাল আবেদীন। ওই মামলায় সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ নম্বর আসামি। ২ নম্বর আসামি সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ৩ নম্বর আসামি পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
একই মামলায় মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ২২ নম্বর আসামি এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর আসামি।
তৌহিদ আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করে তরুণদরে মাঝে জনপ্রিয়তা পান। তাঁর ভেরিফায়েড পেজে ফলোয়ারের সংখ্যা ৮ লাখ ২১ হাজার। ইউটিউবে চ্যানেলে সাবস্কাইোর ৬৩ লাখ ১০ হাজার।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তারের জন্য সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছিল জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স (জেআরএ) নামের একটি সংগঠন।
Editor PI News