চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত ফলে সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই ক্ষেত্রেই ছেলেদের তুলনায় ভালো ফল করেছে মেয়েরা।
এবার ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছেলে পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন। মেয়েদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে। এবার ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ছেলেদের মধ্যে এই সংখ্যা ৫২ হাজার ৭৮০।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিদেশের পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর একটি প্রতিষ্ঠানেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে—৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
অন্য বোর্ডগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এ হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
Editor PI News