শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে এ বছরের শান্তিতে নোবেলজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।
নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নাভি পিল্লে। অসাধারণ সাহস ও সততার সঙ্গে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
কমিটি আরও বলেছে, সর্বজনীন আইনি নীতির প্রতি পিল্লের অঙ্গীকার এবং নৈতিক দৃঢ়তা তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে ধারাবাহিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাভি পিল্লে। দেশটিতে বর্ণবাদী শাসন চলাকালে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। কাঠামোগত বৈষম্য ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কাজ করার পাশাপাশি নেলসন ম্যান্ডেলাসহ বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়েছেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পিল্লে। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে মানবাধিকার সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক আইন এবং গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো। দেশটির জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরশাসন থেকে শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
Editor PI News