শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারি: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জাপান সফরেও বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন খাত গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগের অংশীদারি গড়ে তুলতে চায়।
জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কয়েকটি বড় উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের বিনিয়োগ দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও জানান, গত এপ্রিলে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানিসংকট ও স্থিতিশীলতা মোকাবিলায় জাপানের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনলাইন সম্মেলনে অংশ নেন। ওই সম্মেলনে তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মতে, ওই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জাপান সরকারের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। আসন্ন সফরে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি আরব সফর নিয়েও কথা বলেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, সৌদি আরবের যুবরাজ প্রধানমন্ত্রীকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। সুবিধাজনক সময়ে শিগগিরই এ সফর অনুষ্ঠিত হবে।
সৌদি যুবরাজও বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে তাঁকে ঢাকায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হবে।
পবিত্র মক্কা ও মদিনার সুরক্ষা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, মুসলিম বিশ্বের পবিত্র স্থান ও মসজিদ রক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাওয়া হলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকবে।
Editor PI News