আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইলের প্রতি মার্কিন নীতিকে আলোচনায় এনেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভোটারদের অসন্তোষের পেছনে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন।
ভ্যান্সের বক্তব্য অনুযায়ী, রিপাবলিকানদের সমর্থন কমার পেছনে ইরান যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি থেকে সরে আসার অভিযোগ এবং ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পরিবর্তনের দাবি ভূমিকা রেখেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম সমর্থকগোষ্ঠী ছিল রক্ষণশীল খ্রিস্টান ও ইসরাইলপন্থী বিভিন্ন সংগঠন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত, বিশেষ করে গাজায় যুদ্ধ ও ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইসরাইল ইস্যুকে আরও আলোচনায় এনেছে।
দলের তরুণ ও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সমর্থকদের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ইসরাইলকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত। এ অবস্থায় ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন ও মার্কিন সহায়তার পরিমাণ নিয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ায় ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা ও কূটনৈতিক সমর্থনের বিষয়টি আরও বেশি নজরদারির মুখে পড়তে পারে। তবে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক ও সামরিক চুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কের নীতিতে দ্রুত বড় পরিবর্তন আসবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
Editor PI News