
রবিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। একই সঙ্গে গাড়িতে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে কমিশন। নতুন দর ঘোষণা করে বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য বাড়ায় দেশের বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
কমিশনের নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম হবে ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা। এর আগে প্রতি কেজির দাম ছিল ১৩২ টাকা ১২ পয়সা। এই দর অনুযায়ী বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারিত হবে।
তবে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৮২৫ টাকা থাকবে।
যেভাবে নির্ধারিত হয় এলপিজির দাম
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে দেশে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি উৎপাদনের প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।
প্রতি মাসে এসব উপাদানের আন্তর্জাতিক মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো। এ মূল্য ‘সৌদি কার্গো মূল্য’ বা ‘সিপি’ নামে পরিচিত।
সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। পাশাপাশি আমদানিকারক কোম্পানির চালান বা ইনভয়েস মূল্যের ভিত্তিতে পুরো মাসের জন্য ডলারের মূল্য হিসাব করে কমিশন।

