বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, জুলাই অভ‍্যুত্থানের অন‍্যতম সংগঠক এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

রবিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে OHCHR-এর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল প্রেরণ করেছে। নোটে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করছে যে, শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণ ভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও পরে অবস্থার অবনতি হলে এভায়ার কেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের উদ্যোগে তাকে সিংগাপুর নেওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে সিংগাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯.৪৫-এ মারা যান তিনি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে আলোচনায় আসেন ওসমান হাদি। মাদ্রাসা শিক্ষক বাবার সন্তান ওসমান হাদি ঝালকাঠির নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতকোত্তর শেষে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ