
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেড় বছর পার হলেও রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ। ‘রিফাইন্ড’ বা পরিশুদ্ধ দল গঠনের যে আলোচনা উঠেছিল তা কার্যত মৃত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, সংস্কারের মাধ্যমে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্যদের নেতৃত্বে আনার পরামর্শ দিয়েছিলেন শুভাকাঙ্খীরা ও বন্ধুপ্রতিম দেশ। কিন্তু আওয়ামী লীগের সভাপতি পদটি শেখ হাসিনা ছাড়তে নারাজ। তাঁর এই সিদ্ধান্ত সংস্কারপন্থী ও শুভাকাঙ্খীদের হতাশ করেছে। ফলে দলের ভেতর সংস্কারের যাবতীয় সম্ভাবনা আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।
ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে দলটির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত অধিকাংশ নেতাকর্মীর মাঝে তীব্র হতাশা বিরাজ করছে। এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ তাকা ও বর্তমান বিএনপি সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে নেতাকর্মীদের বড় একটি আংশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেকের কাছেই দলটির রাজনীতিতে ফেরার পথ কী তা স্পষ্ট নয়। আবার অনেকে মনে করছেন বর্তমান সরকার যদি বড় কোন ভুল করে বা অজনপ্রিয় হয়ে উঠে তা হলে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা বা সুযোগ তৈরি হবে।
সূত্র: প্রথম আলো


