
কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি থেকে করা একমাত্র গোলে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ের শক্ত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি দিদিয়ের দেশমের দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে পাওয়া পেনাল্টি থেকেই জয়ের পথ খুঁজে নেয় ফরাসিরা।
রোববার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্বের ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয়। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্চ স্টেডিয়ামে, যেখানে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই প্যারাগুয়ের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে ফরাসিরা। এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে ও সতীর্থদের একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত সময় পার করে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ। প্রথমার্ধে প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রাখলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ফ্রান্স। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে ৬১ মিনিটে প্রথম পরিবর্তন আনেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম । ব্র্যাডলি বারকোলার বদলে মাঠে নামা দেজিরে দুয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হয়ে দলের জন্য পেনাল্টি আদায় করেন। স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা সাতে নিয়ে যান এমবাপ্পে, যা লিওনেল মেসির সমান। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় মেসির ২০ গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র এক গোল দূরে রয়েছেন ফরাসি এই তারকা। বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ১৯।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। তবে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারেনি তারা। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে এমবাপ্পে ডি-বক্সের ভেতর থেকে টানা দুটি শট নিলেও সেগুলো দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক গিল। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফরাসিরা।


