ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

বুধবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ৫৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও শেষ দিকে দুই গোল করে দারুণ জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করে জয়ের নায়ক হন।

প্রথমার্ধে দুই দলের খেলায় ছিল শারীরিক লড়াইয়ের আধিক্য। ফাউলের পর ফাউলে খেলা বারবার থেমে যায়। প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দল মিলে ১৯টি ফাউল করে এবং গোলমুখে উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। আর্জেন্টিনা বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। ৫৫তম মিনিটে মর্গ্যান রজার্সের ক্রস থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোল হজমের পর একের পর এক আক্রমণে চাপ বাড়াতে থাকে আর্জেন্টিনা। জর্ডান পিকফোর্ডের দুর্দান্ত সেভ ও পোস্টে বল লাগায় কয়েকবার গোলবঞ্চিত হলেও হাল ছাড়েনি আলবিসেলেস্তেরা।

অবশেষে ৮৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির পাস থেকে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান এন্সো ফের্নান্দেস। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রসে লাউতারো মার্তিনেস হেডে জয়সূচক গোল করলে উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা শিবির।

ম্যাচে প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল আর্জেন্টিনার। তারা ১৫টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে ইংল্যান্ড পাঁচটি শটের মধ্যে মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতভাগ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল আর্জেন্টিনা। ছয়টি সেমিফাইনাল খেলেই ছয়টিতে জয় পেয়েছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। পাশাপাশি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি আর্জেন্টিনার তৃতীয় জয়, আর তিনটিই এসেছে নীল (অ্যাওয়ে) জার্সিতে।

আগামী রোববার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে স্পেনের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ