
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য নতুন ফরম্যাট ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নতুন এই কাঠামোর ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আগের তুলনায় একটি অতিরিক্ত ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বুধবার আইসিসির ঘোষিত নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৭ বিশ্বকাপে ১৪টি দল অংশ নিলেও মূল পর্বে খেলবে ১২টি দল। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা তিনটি দলকে আগে প্রাথমিক পর্ব খেলতে হবে, সেখান থেকে মাত্র একটি দল মূল পর্বে জায়গা পাবে।
মূল পর্বে ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। এরপর আগের ‘সুপার সিক্স’-এর পরিবর্তে চালু হচ্ছে ‘সুপার সেভেন’ পর্ব। তবে এবার কোনো কোয়ার্টার ফাইনাল রাখা হয়নি।
আইসিসির মতে, নতুন এই ফরম্যাটে প্রতিটি দলের ম্যাচ সংখ্যা বাড়বে এবং প্রতিযোগিতা আরও অর্থবহ হবে। একই সঙ্গে গ্রুপ পর্বে বেশি ম্যাচ থাকায় ভারত ও পাকিস্তান ভালো করলে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত একটি ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দুই দেশ এখন কেবল আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) টুর্নামেন্টেই মুখোমুখি হয়। ফলে এই ম্যাচগুলো আইসিসির জন্য সবচেয়ে বেশি দর্শক ও বাণিজ্যিক আয় এনে দেয়।
এদিকে, ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাটেও পরিবর্তন এনেছে আইসিসি। ২০ দলের টুর্নামেন্টে এবার চারটি নয়, পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হবে দলগুলোকে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি করে দল। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল উঠে যাবে সুপার টেন পর্বে।
সুপার টেন থেকে সেরা দুই দল সরাসরি সেমিফাইনালে উঠবে। বাকি দুটি সেমিফাইনালের জায়গা নির্ধারণ হবে নতুন এলিমিনেটর পর্বের মাধ্যমে।
আইসিসি জানিয়েছে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে ১২টি দল জায়গা নিশ্চিত করেছে। দলগুলো হলো— পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে।
সূত্র: ডন


