
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিনকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ওই স্কুলছাত্রী তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। ওই সময় শিক্ষিকা বাড়িতে ছিলেন না। সুযোগ বুঝে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিন দরজা খুলে ছাত্রীকে ঘরের ভেতরে নিয়ে যান এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি কারো কাছে প্রকাশ না করার জন্য ওই ছাত্রীর হাতে ৫০০ টাকা গুঁজে দিয়ে ভয়ভীতি দেখান তিনি।
ঘটনার পর নির্যাতিত ছাত্রী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে বুধবার সন্ধ্যায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কামাল উদ্দিনকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে চরজব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে নির্যাতিত স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, “বুধবার রাতে ছাত্রীর মায়ের দায়ের করা মামলায় আসামি কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”


