বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২৬

বেনজীরের রিসোর্টে অভিযান, মিলেছে কর ফাঁকির প্রমাণ

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে অভিযান পরিচালনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল। এ সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের কর ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে তারা।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির ওপর নির্মিত সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গোয়েন্দা সেলের উপপরিচালক শাহ মোহাম্মদ ফজলেে এলাহীসহ ১৫ সদস্যদের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। বিনিয়োগের নথি, আয়-ব্যয়ের যাবতীয় হিসাবপত্র ও কম্পিউটারের হার্ডডিস্কসহ যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেছে সিআইসি টিম। এ সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের কর ফাঁকির প্রমাণও মেলে।

এনবিআরের গোয়েন্দা সেলের উপপরিচালক শাহ মো. ফজলে এলাহী বলেন, তদন্ত ও অনুসন্ধানে আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বিপুল পরিমাণ অঙ্কের কর ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা আরও কিছু দপ্তর থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। সবকিছু হাতে আসার পরে বলা যাবে কি পরিমাণ অঙ্কের কর ফাঁকি দিয়েছে। আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন কর অফিসকে পাঠাবো। পরবর্তীতে কর অফিস তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত ১৫ ডিসেম্বর পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে চার মামলা করে দুদক। মামলায় বেনজীর পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের আইজি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাব এবং র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান যে সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাদের মধ্যে বেনজীরও ছিলেন বলে জানা গেছে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ