
করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই দলের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৩১৬ রানের লক্ষ তাড়ায় ২০৮ রানে গুটিয়ে গেছে আফগানিস্তান। ওযানডেতে টানা ছয় ম্যাচ হারের পর জয়ের দেখা পেল প্রোটিয়ারা।
আফগানিস্তান দলে একটি চিত্র প্রায় পরিচিত। ওপেনাররা রান পেলে ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত পায় দলটি। কিন্তু, দুই ওপেনার রান না পাওয়ায় বড় জুটি গড়তে পারেনি আফগানরা। গুরবাজের পর আরেক ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানও কাগিসো রাবাদার সোজাসুজি আসা একটি বলে বোল্ড হয়ে ফেরত যান প্যাভিলয়নে। এর আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। নিয়মিত বিরতিতে আউট হন সেদিকউল্লাহ অটল (১৬), অধিনায়ক শহিদী (০) ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইরা (১৮)। একপ্রান্তে রহমত শাহ অটল থাকলেও, আরেকপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন মোহাম্মদ নবি (৮), গুলবাদিন নাইব (১৩) ও রশিদ খান (১৮)।
ডানহাতি ব্যাটার রহমত ৯২ বলে ৯টি চার ও এক ছক্কায় ৯০ রান করেন। আর আফগানিস্তান ৩৯ বল বাকি থাকতেই ২০৮ রানে অলআউট হয়ে বড় হার নিশ্চিত করে।
আইসিসি টুর্নামেন্টে অভিষেকে রিকেলটন সেঞ্চুরি তুলে নেন ১০১ বলে। দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এই স্বাদ পেলেন তিনি। পরের ওভারে রান আউটে কাটা পড়ে শেষ হয় তার চমৎকার ইনিংসটি।
প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে পারেননি ডেভিড মিলার (১৮ বলে ১৪)। সেই কাজটা ভালোমতোই করেন মার্করাম। ৩৩ বলে ফিফটি করেন তিনি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে যা দ্রুততম। ইনিংসের শেষ দুই বলে ফাজালহাক ফারুকিকে চার ও ছক্কা মারেন ভিয়ান মুল্ডার।
আফগানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ নবি। এ ছাড়া ফারুকি, ওমরজাই এবং নুর আহমেদ ১টি করে উইকেট শিকার করেন। আফগানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ নবি। এ ছাড়া ফারুকি, ওমরজাই এবং নুর আহমেদ ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৫০ ওভারে ৩১৫/৬ (রিকেলটন ১০৩, ডি জর্জি ১১, বাভুমা ৫৮, ফন ডাসেন ৫২, মার্করাম ৫২*, মিলার ১৪, ইয়ানসেন ০, মুল্ডার ১২*; ফারুকি ৮-০-৫৯-১, ওমারজাই ৬-০-৩৯-১, নাবি ১০-০-৫১-২, রাশিদ ১০-০-৫৯-০, নাইব ৭-০-৪২-০, নুর ৯-০-৬৫-১)
আফগানিস্তান: ৪৩.৩ ওভারে ২০৮ (গুরবাজ ১০, ইব্রাহিম ১৭, সেদিকউল্লাহ ১৬, রেহমাত ৯০, শাহিদি ০, ওমারজাই ১৮, নাবি ৮, নাইব ১৩, রাশিদ ১৮, নুর ; ইয়ানসেন ৮-১-৩২-১, এনগিডি ৮-০-৫৬-২, রাবাদা ৮.৩-১-৩৬-৩, মুল্ডার ৯-০-৩৬-২, মহারাজ ১০-০-৩৪৬-১)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৭ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: রায়ান রিকেলটন


