
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মিরপুরে সফরকারী আইরিশদের দারুণ প্রতিরোধের পর জিততে পেরেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। শেষ দিনে আয়ারল্যান্ডের রেকর্ড গড়া ব্যাটিং পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশ জিতেছে ২২১ রানে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ স্বাগতিকরা জিতে নিয়েছে ২-০ ব্যবধানে।
বাংলাদেশের শেষ দিনে দরকার ছিল স্রেফ চার উইকেট। কিন্তু রোববার চমকপ্রদ ব্যাটিং পারফরম্যান্সে আইরিশরা ব্যাটিং করেন ৫৯.৩ ওভার। শেষ পর্যন্ত ১১৩.৩ ওভারে ২৯১ রানে থামে তাদের ইনিংস।
৬ উইকেটে ১৭৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে সফরকারীরা। কার্টিস ক্যাম্ফার ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন স্বাগতিকদের অপেক্ষায় রাখেন দীর্ঘক্ষণ। ২০৫ বলে মাত্র ২৬ রানের জুটি গড়েন দু’জন। যেখানে ক্যাম্ফারের অবদান মাত্র ৩ রান। ম্যাকব্রাইনকে ২১ রানে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙ্গেন তাইজুল, পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে স্পর্শ করেন ২৫০ রানের মাইলফলক। সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন ম্যাচের চুতর্থ দিনই।
৫৭ টেস্টে এই মাইলফলক ছুঁয়ে বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে দ্রুততম বোলার হিসেবে শ্রীলঙ্কার রঙ্গনা হেরাথের বিশ্ব রেকর্ডে ভাগ বসান তিনি।
পরের জুটিতে দেখা যা ভিন্ন চিত্র। ক্যাম্ফার উইকেটের একপাশ আগলে রেখে খেলতে থাকেন। জর্ডান নিল খেলছিলেন বেশ সাবলীল। ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান করে বোল্ড হন মিরাজের এক দুর্দন্ত এক ডেলিভারিতে।
আইরিশদের প্রতিরোধ শুরু হয় এরপরই ক্যাম্ফার ও গ্যাভিন হোয়ের বিরত্বে। যার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিল না স্বাগতিকরা।

অভাবনীয় ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়ে ওভারের পর ওভার কাটিয়ে দেন এ দুই ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত হাসান মুরাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে হোয়ে এলবিডব্লু হলে নবম উইকেট ৫৪ রানের জুটি থামে ১৯১ বলে। পরের বলেই শেষ ব্যাটসম্যান ম্যাথু হামফ্রিজ বোল্ড হয়ে গেলে জিতে যায় বাংলাদেশ। ২৫৯ বল লড়াই করে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন কার্টিস ক্যাম্ফার।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। আর সিরিজ সেরা হয়েছেন তাইজুল ইসলাম।


