
বার্ধক্য আর অনিবার্য নয়—এমনই বিস্ময়কর দাবি উঠে এসেছে স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত ২য় আন্তর্জাতিক দীর্ঘায়ু সম্মেলনে। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের মতে, আধুনিক বায়োমেডিসিনের অগ্রগতিতে বার্ধক্যকে একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও উল্টে দেওয়া সম্ভব প্রক্রিয়ায় পরিণত করা যাচ্ছে।
হেভোলিউশন ফাউন্ডেশনের সিইও ড. মেহমুদ খান প্রশ্ন রাখেন—মানুষ কি আরও দীর্ঘ সময় সুস্থভাবে বাঁচতে পারে? তাঁর মতে, ক্যান্সার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা ইতোমধ্যেই বিপ্লব এনেছে।

সম্মেলনের পরিচালক হোসে লুইস করদেইরো দাবি করেন, গবেষণাগারে মানুষের চোখ পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হয়েছে। একই প্রযুক্তি শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও প্রয়োগ করা গেলে মানুষের আয়ু ১৫০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টেম সেল, অঙ্গপ্রিন্টিং ও জিন থেরাপির কারণে ২০৪৫ সালের মধ্যে মৃত্যু একটি ঐচ্ছিক সিদ্ধান্তে পরিণত হতে পারে—যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়।


