
টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে; খবরটি জেনেই ফরচুন বরিশালের বিপেক্ষে মাঠে নেমেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। বাকি থাকা দুই ম্যাচে হারানোর কিছু ছিল না আসরজুড়ে হারের বৃত্তে বন্দী থেকে যাওয়া দলটির। এমন ম্যাচে চাপ কম থাকে, নির্ভার হয়ে খেলার সুযোগ মেলে। কিন্তু ঢাকার বেলায় দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। ব্যাট হাতে নেমে উল্টো পথে হেঁটে গেলেন তাদের ব্যাটসম্যানরা, সংগ্রহ হলো সামান্য। যা পাড়ি দিতে কোনো বেগই পেতে হলো না ফরচুন বরিশালকে।
ঢাকা না পারলেও অবশ্য মাঠে উপস্থিত দর্শকদের কিছুটা বিনোদন দিয়েছেন ফরচুন বরিশালের ব্যাটসম্যানরা। ঢাকাকে ৭৩ রানে অলআউট করার পর তাদের বোলারদের কচুকাটা করে মাত্র ৩৯ বলে ম্যাচ জিতে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
বিপিএলে এটিই (৮১) সবচেয়ে বেশি বল বাকি থাকতে জয়। ২০১৭ সালে সিলেট সিক্সার্সের ১০২ রানের লক্ষ্য ৭৩ বল বাকি থাকতে ছুঁয়ে ফেলেছিল ঢাকা ডায়নামাইটস।
ফরচুনদের বিপক্ষে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ক্যাপিটালস ধুঁকেছে পুরো ইনিংসজুড়ে। মোহাম্মদ নবি, তানভীর ইসলাম, ফাহিম আশরাফদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে লড়াই করতে পারেননি দলটির কোনো ব্যাটসম্যান। মাত্র তিনজন দুই অঙ্কের রান করেন, কেউ ২০ রানের গণ্ডিও পেরোতে পারেননি। ১৫.৩ ওভারে ৭৩ রানে অলআউট হয় ঢাকা, যা এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
জবাব দিতে নেমে আবারও ব্যার্থ তাওহিদ হৃদয়। তার দ্রুত বিদায়ের পর অধিনায়ক তামিম ও ডেভিড মালানের ব্যাটে ৬.৩ ওভারেই জিতে যায় ফরচুন বরিশাল।
বরিশালের হয়ে স্রেফ ২ রানে ৩ উইকেট নেন তানভির ইসলাম। দারুণ বোলিংয়ে ৩টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ নাবি ও ফাহিম আশরাফও। টুর্নামেন্টে ফাহিমের উইকেট হয়ে গেল ২০টি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ঢাকা ক্যাপিটালস: ১৫.৩ ওভারে ৭৩ (তানজিদ ৭, লিটন ১০, রিয়াজ ০, কোটজি ৫, সাব্বির ৭, মোসাদ্দেক ২, পেরেরা ১৫, নাজমুল ০, বিটন ১০, মুস্তাফিজ ২, মেহেদি ৪*; ইবাদত ৪-০-২৪-০, নাবি ৪-০-৯-৩, তানভির ২-১-২-৩, ফুলার ৩-০-১৮-১, ফাহিম ২.৩-০-১৫-৩)
ফরচুন বরিশাল: ৬.৩ ওভারে ৭৭/১ (তামিম ২১*, হৃদয় ১৫, মালান ৩৭*; মুস্তাফিজ ২-০-১৬-১, মেহেদি ২-০-২৩-০, মোসাদ্দেক ১-০-৬-০, বিটন ১-০-২০-০)
ফল: ফরচুন বরিশাল ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: তানভির ইসলাম


