বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

সুস্থ থাকতে ইফতারে যেসব খাবার খাবেন

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাস্থকর খাবার শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত রোজায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এক-তৃতীয়াং কম খাওয়া উচিত।

পর্যাপ্ত পানি পান

সারাদিন রোজা রাখার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া খেজুর ভেজানো পানি দ্রুত শক্তি যোগায় ও হজমে সহায়ক। ডাবের পানি শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে। লেবুর শরবত, কমলার রস ও অন্যান্য তাজা ফলের রস শরীর সতেজ রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে। চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে শরীরে হাইড্রেশন ধরে রাখতে সহায়তা করে।

খেজুর

খেজুর একটি আদর্শ খাবার। এটি দ্রুত গ্লুকোজ সরবরাহ করে, যা সারাদিনের রোজার পর শরীরের শক্তি পুনরুদ্ধার করে। এছাড়া এতে প্রচুর ফাইবার থাকায় হজমের জন্য খুবই উপকারী।

তাজা ফল

ইফতারে তাজা ফল খাওয়া শরীরের জন্য বেশ উপকারী। তরমুজ, বাঙ্গি, আপেল, কলা, পেঁপে, আঙুর, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি ফল শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক। আপেল ও কলা প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবার সরবরাহ করে, যা দীর্ঘসময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

প্রোটিন শরীরের পেশি সুস্থ রাখে ও দীর্ঘসময় শক্তি সরবরাহ করে। তাই ইফতারে সিদ্ধ ডিম, গ্রিলড বা সিদ্ধ মুরগি, বেকড মাছ, দই ও ছানা খেতে পারেন।

শর্করা ও আঁশযুক্ত খাবার

ইফতারে ছোলা রাখা একটি ভালো অভ্যাস। এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রনের উৎস। তবে অতিরিক্ত মসলা বা ঝাল দিয়ে রান্না না করে সহজভাবে খাওয়া উত্তম। এছাড়া ওটস খাওয়া শরীরে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার

কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, সূর্যমুখী ও তিসির বীজে প্রচুর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘসময় শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক। চিয়া সিড শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।

দই

দই হজমের জন্য বেশ উপকারী, কারণ এতে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে যা পেট সুস্থ রাখে। লাবান বা টক দইয়ের শরবত শরীরকে ঠান্ডা রাখে ও ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ইফতারে দই খেলে পেটের সমস্যা কমে এবং শরীর সতেজ থাকে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ