
গত ৬ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ’সমন্বয়ক’ পরিচয় দেওয়া মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি নিজের কিছু অনুসারী নিয়ে খনন যন্ত্র দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুড়িয়ে দেন। এরপর ৮ মার্চ শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলামের বাড়ি দখলে নেন। এরপর ভাংচুর করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য প্রয়াত সভাপতি ফজলুর রহমান খান ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমানের বাড়ি।
এ ঘটনায় ৯ মার্চ রাতে জোয়াহেরুল ইসলামের স্ত্রী বাদি হয়ে মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টির বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মিষ্টিকে গ্রেপ্তার করে চারদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তবে তিনি কোন সংঘঠনের সাথে জড়িত কিনা তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ।
রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার মিষ্টিকে আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মিষ্টির বাড়ি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের যশিহাটি দোহার গ্রামে। প্রতিবেশীরা জানান, মারইয়াম মুকাদ্দাস মিষ্টি গ্রামে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত পড়েছেন তারপর ঢাকায় চলে যান।


