বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

পাকা আম সংরক্ষণের চার পদ্ধতি

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। রসালো এ ফলটি ছাড়া গ্রীষ্মকাল যেন কল্পনাই করা যায় না। আর দেশে এখন চলছে ভরা আমের মৌসুম। সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করলে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত আপনি এই ফলের স্বাদ নিতে পারবেন। চলুন জেনে নিই আম সংরক্ষণের কয়েকটি পদ্ধতি।

প্রথমে আম টুকরো করে কেটে নিন। আঁটির চারপাশ থেকে কেটে নিয়ে আঁটিটি ফেলে দিন। এবার একটি শুকনো পরিষ্কার বক্সে কাটা আমের টুকরোগুলো রেখে শক্ত করে মুখ বন্ধ করে দিন। এরপর বক্সটিকে পাঠিয়ে দিন ডিপ ফ্রিজে।

এছাড়া আরেকটি পদ্ধতি হলো জিপলগ ব্যাগ। এজন্য আম ছোট টুকরো করে কাটতে হবে। এরপর এগুলোকে জিপলগ ব্যাগে ঢুকিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। মনে রাখবেন জিপলগ ব্যাগে যখন ঢুকাবেন তখন মুখ বন্ধ করার আগে একটু ফাঁকা রাখবেন যাতে বন্ধ করার সময় স্ট্র দিয়ে টেনে পুরো বাতাস বের করে ফেলতে পারেন।

পিউরি করেও আম সংরক্ষণ করতে পারবেন। এজন্য ব্লেন্ডারে মসৃন করে ব্লেন্ড করে ডিপ ফ্রিজের বরফ জমানো ট্রেতে রেখে দিন। ১০-১২ ঘন্টা পর আমের বরফকুঁচিগুলো বের করে জিপলগ ব্যাগে ভরে সিল করে রেখে দিন ডিপ ফ্রিজে।

চাইলে আপনি আস্ত আমও সংরক্ষণ করতে পারেন। আস্ত আম খবরের কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে নিয়ে জিপলগ ব্যাগে ভরে সিল করে রেখে দিন ফ্রিজে।

মনে রাখবেন:

* সংরক্ষণের জন্য পাকা আম নেবেন না।

* অতিরিক্ত পাকা আম সংরক্ষণ করতে চাইলে পিউরি করে সংরক্ষণ করুন।

* আম সংরক্ষণের সময় ছোট বক্স বা জিপলগ ব্যাগ ব্যবহার করুন। এতে আমের স্বাদ নষ্ট হবে না।

* সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষন করে এই আম আপনি খেতে পারবেন।

জানেন কি?

তিনটি দেশের জাতীয় ফল আম। দেশগুলো হচ্ছে পাকিস্তান, ভারত ও ফিলিপাইন। আর বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ আম গাছ।

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয় ভারতে। বিশ্বের উৎপাদিত আমের শতকরা ৪০ শতাংশ উৎপাদন হয় দেশটিতে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ