বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২৬

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলে হত্যার স্বীকারোক্তি দিলেন ঘাতক

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঘাতক লিমন মিয়া (৩৫) বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কাছে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৬) কুপিয়ে হত্যার লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

পুলিশ এবং সাংবাদিকদের সামনে ঘাতক লিমন মিয়া জানান, বিচারকের স্ত্রী তাসনিম নাহার লুসীর সাথে তার পাঁচ বছরের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের জেরে প্রেমিকা লুসী তাকে পুলিশে দিয়েছে, জেল খাটিয়েছে এবং নানাভাবে হয়রানিও করেছে। লুসীর প্রেমে তিনি অন্ধ। কিন্তু ফোন করলেও লুসী তার ফোন ধরেন না। ফোন না ধরলে সে পাগল হয়ে যায়। এ কারণে লুসীর সাথে দেখা করতেই সে রাজশাহীর বাসায় আসে। এসেই লুসীর হাতে বাদাম ও পপকর্ন তুলে দেয়। প্রাথমিক কথাবার্তার পর ঘাতক লিমন মিয়া বিচারকের স্ত্রী লুসীকে নিয়ে টি-বাধে যাওয়ার জন্য চাপাচাপি করে। এক পর্যায়ে লুসীর ছেলে এসে তাকে আঘাত করে। এসময় সেও লুসীর ছেলেকে আঘাত করে। তারপর কি হয়েছে তা আর বলতে পারবে না বলে দাবী করেছেন ঘাতক লিমন মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে ঘাতক লিমন মিয়া এই পরিবারের পূর্ব পরিচিত। বিচারকের নিহত ছেলে সুমন রাজশাহী গভ: স্কুলের নবম শ্রেনির ছাত্র ছিল।

বিচারক আব্দুর রহমান রাজশাহী মহানগরীর ডাবতলা এলাকার স্পার্ক ভিউ নামের একটি ১০ তলা ভবনের ৫ম তলায় ভাড়া থাকেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ফ্ল্যাটেই ঘাতক লিমনের হাতে খুন হন বিচারকের নবম শ্রেনি পড়ুয়া ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের ফলে সুমনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ