
শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্য চর্চাকে আরো বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার অবশ্যই দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুরুতে তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পুরস্কার ‘একুশে পদক’ এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সম্ভবত কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক অর্জন। জ্ঞান-বিজ্ঞান কিংবা শিল্প সাহিত্য চর্চার ধারা আরো শানিত এবং বিকশিত হোক এ প্রত্যাশা করছি। শিক্ষা গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যের চর্চাকে আরো বেগবান করতে রাষ্ট্র এবং সরকার তার দায়িত্ব অবশ্যই পালন করবে।

জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক। আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ এই দিনটির মধ্যেই নিহিত। মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় অনুধাবনের মাস, শেকড় সন্ধানের মাস।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞানী-গুণীদের কর্ম ও কর্মময় জীবনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।


