তানজিদের আক্ষেপ; শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ

দুই ম্যাচের হতাশা পেছনে ফেলে শেষ ম্যাচে যেন নতুন করে জেগে উঠল বাংলাদেশ। ব্যাটে ছিল আত্মবিশ্বাস, বোলিংয়ে ছিল শৃঙ্খলা, আর মাঠজুড়ে ছিল জয়ের ছন্দ। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ আর সৌম্য সরকারের ফর্মে ফেরার গল্প মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়িয়েছে টাইগাররা।

শনিবার হারারের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। জবাবে ২০০ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই টপকে যায়।

শুরুর দিকেই জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে দেন বাংলাদেশের পেসাররা। দলীয় ১৩ রানে গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারানকে বোল্ড করেন শরিফুল ইসলাম। এরপর তাসকিন আহমেদ ফিরিয়ে দেন ব্রায়ান বেনেটকে, আর শরিফুলের শিকার হন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। ১৪ ওভারে মাত্র ২৮ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।

এরপর ইনোসেন্ট কায়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে তাসকিন কায়াকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন। এরপর সিকান্দার রাজাকে ১১ রানে তানভীর ইসলাম এবং ক্লাইভ মাদান্দেকে ১ রানে শরিফুল ফেরালে জিম্বাবুয়ে ১১২ রানে ৬ উইকেট হারায়। শেষদিকে মাধেভেরে ও ইভান্স কিছুটা লড়াই করলেও ১৯৯ রানের বেশি যেতে পারেনি তারা।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দাপট দেখান দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ করে ম্যাচ প্রায় একাই বের করে আনেন তারা। সৌম্য ৮২ বলে ৬৯ রান করে আউট হন। এরপর সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থাকতে ১০১ বলে ৯৪ রানে বিদায় নেন তানজিদ হাসান। একই ওভারে তাওহিদ হৃদয়ও ফিরলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও নুরুল হাসান সোহান দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। তবে শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে স্বস্তির হাসি নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পা রাখছে সফরকারী বাংলাদেশ। আগামী ১৫ জুলাই থেকে শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ