মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬

পরিবর্তন হলো শেখ পরিবারের নামে ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে জানান, শেখ পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ দিয়ে দেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

পরিবর্তিত নামগুলোর তালিকায় রয়েছে:

শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোণা → নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ → কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ →নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর →মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর → গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় → শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ →বাংলাদেশ ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর →জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর →পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ →নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ →গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিনেইম ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম →মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় →অ্যাভিয়েশন এন্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সামনে ‘জাতিগত সংখ্যালঘু’ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়,এ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দোষী অন্যদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে। সব দুষ্কৃতিকারীকে বিচারের আওতায় আনা হবে। বার্তায় বলা হয়,জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, সরকার দ্ব্যর্থহীন ভাষায় পুনর্ব্যক্ত করছে যে, গণসহিংসতা, জাতিগত বিদ্বেষ এবং গোঁড়ামির কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না। সম্প্রীতি, শান্তি ও আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটে এমন কর্মকাণ্ডে যারাই লিপ্ত হবে, তাদের পরিচয় বিবেচনা না করে সবার ক্ষেত্রেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সরকার এ বিষয়ে সতর্ক করে দিচ্ছে। নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের পেছনের প্রচ্ছদে ‘আদিবাসী’ শব্দ সংবলিত একটি গ্রাফিতি স্থান পেয়েছিল। সেখানে একটি গাছের পাঁচটি পাতায় লেখা ছিল মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও আদিবাসী; পাশে লেখা ছিল ‘পাতা ছেঁড়া নিষেধ’। ‘স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি’ ব্যানারে একদল শিক্ষার্থীরা গত ১২ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবি ঘেরাও করার পর রাতে ওই বইয়ের অনলাইন সংস্করণ থেকে চিত্রকর্মটি সরিয়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১১টায় পাঠ্যপুস্তক ভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেয় ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্রজনতা’ নামে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন। পরে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ও একইসময়ে পাঠ্যপুস্তক ভবন ঘেরাও করার ঘোষণা দেয়। ঘোষণা অনুযায়ী আদিবাসী ছাত্রজনতার ব্যানারে শিক্ষার্থীরা বুধবার পাঠ্যপুস্তক ভবনের সামনে উপস্থিত হলে সেখানে আগে থেকে অবস্থান নিয়ে থাকা স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির সদস্যরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং বেধড়ক লাঠিপেটা করে। হামলায় আহত নয়জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল করে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দুই সংগঠনের নেতারাই দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান। আর আদিবাসী শিক্ষার্থীরা হামলার ঘটনার বিচার ও আদিবাসী লেখা গ্রাফিতি পুনর্বহালের দাবিতে বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ এবং শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেন।
পরবর্তী নিবন্ধ

আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ