
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের মূখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ।
শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকা বনগাঁও থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে (৩৪) সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও এলাকায় আসেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবারো বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণ ভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও পরে অবস্থার অবনতি হলে এভায়ার কেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের উদ্যোগে তাকে সিংগাপুর নেওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে সিংগাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৯.৪৫-এ মারা যান হাদি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে আলোচনায় আসেন ওসমান হাদি। মাদ্রাসা শিক্ষক বাবার সন্তান ওসমান হাদি ঝালকাঠির নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতকোত্তর শেষে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।


